যুদ্ধও নয় শান্তিও নয়

আন্তর্জাতিক রাজনীতির ধারা ও বিশ্বের দুই পরাশক্তির (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন) মধ্যকার দ্বন্দ্ব স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠান্ডা লড়াইকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন নিজেদের মধ্যকার উত্থান-পতন, উত্তেজনা ও যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করে তা ঠান্ডা লড়াইয়ের কুল থেকেই সৃষ্ট।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পৃথিবীর বুকে ‘পরাশক্তি‘ বা ‘Super Power‘ হিসেবে আবির্ভাব হয়। তারা নিজেদের মধ্যে প্রত্যক্ষ যুদ্ধে অবতীর্ণ না হয়ে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক দিক দিয়ে প্রভাব ও প্রতিপত্তি বাড়াতে তৎপর থাকে এবং পৃথিবীকে দুটি পরস্পর বিরোধী শক্তির ছত্রছায়ায় নিয়ে আসে। যার ফলে দৃশ্যমান যুদ্ধের সৃষ্টি না হলেও যুদ্ধ হওয়ার উপক্রম তৈরি হয়।

ইংরেজি ‘cold war’ শব্দদ্বয়ের বাংলা প্রতিশব্দ হচ্ছে স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠান্ডা লড়াই। একে শীতল যুদ্ধ বা প্রচার যুদ্ধও বলা হয়। কেউ কেউ আদর্শের মতৈক্য নামে অভিহিত করে থাকে। কারণ ঠান্ডা লড়াই সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পশ্চিমা দেশের সাথে আদর্শের মিল না হওয়ার জন্যই পূর্ণতা লাভ করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মনোভাব এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সমাজতান্ত্রিক আদর্শ ঠান্ডা লড়াইয়ের জন্ম দেয়। যার কারণে একে ‘আদর্শ বিরোধী’ দ্বন্দ্বও বলা হয়। এটি এমন এক যুদ্ধোন্মাদ সম্পর্ক যা সরাসরি যুদ্ধ সৃষ্টি করে না কিন্তু যুদ্ধের পরিবেশ তৈরিতে সক্ষম। পশ্চিমা গোষ্ঠী ও সোভিয়েত ইউনিয়ন নিজেদের শক্তি বাড়ানোর লক্ষ্যে স্বীয় বলয় (একাধিক রাষ্ট্রের মিলিতকরণ) ‘Sphere of Influence‘ তৈরির প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠে। তাদের এই প্রতিযোগিতার সেতু চল্লিশের দশকের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়ে নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় গিয়ে শেষ হয়।

রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক ও আমেরিকার পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা ঠান্ডা লড়াইয়ের অন্যতম কারণ; Image Courtesy: Chatham House

স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠান্ডা লড়াইয়ের প্রথম ইঙ্গিত পাওয়া যায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের বক্তৃতায়। তিনি ওয়েস্ট মিনিস্টার কলেজে এক ঘোষণায় বলেন, “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে যে মৈত্রীর বন্ধন স্থাপিত হয়েছিল তা ফাটল ধরেছে এবং সৃষ্টি হয়েছে ‘সন্দেহ’ ও ‘ভীতির’ মত শব্দযুগল।”

তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘Cold War’  শব্দটি সংবাদপত্রে প্রথম ব্যবহার করেন আমেরিকার ওয়াল্টার লিপম্যান। তিনি আমেরিকা ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে আদর্শ ও নীতির যে মতৈক্য সেটাকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করেন। আমেরিকা ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বীতা, তৃতীয় বিশ্বের (অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ) রাষ্ট্রগুলোর উপর প্রভাব বিস্তার এবং তাদেরকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ রাখার চেষ্টা, আমেরিকার গণতন্ত্র, ব্যক্তি স্বাধীনতার মতবাদ সাড়া বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আর সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতার লড়াইয়ের লক্ষ্যে স্নায়ুযুদ্ধ বা শীতল যুদ্ধ পরিচালিত হয়।

ঠান্ডা লড়াইয়ে দু’পক্ষই যথেষ্ট পরিমান সামরিক শক্তি বাড়াতে বদ্ধপরিকর থাকে কিন্তু তাদের বন্ধু রাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলেও তা সেখানে সীমাবদ্ধ রাখতে চেষ্টা করে। একজন আমেরিকান ব্যবসায়ী ঠান্ডা লড়াই সম্পর্কে বলেছিলেন,“Let us not be deceived, today we are in the midst of the cold war.”

একনজরে ‘Cold War’ এর কিছু দিক; Image Courtesy: The Montreal Review

দ্বিপাক্ষীয় রাজনীতি বা ‘Bipolar Politics’ ঠান্ডা লড়াইয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য যা বিশ্ব রাজনৈতিক নীতি বা আদর্শকে দুটি শিবিরে বিভক্ত করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ইউরোপের মিত্রশক্তিগুলোর সাথে সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীয় শক্তি বলয় সৃষ্টি করে যা পাশ্চিমা দেশগুলোর মাঝে এক ধরনের ভীতির জন্ম দেয়। এই‌ ভীতি রুখতে আমেরিকা পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর সাথে সোভিয়েত বিরোধী জোট গঠন করে। আর এই জোটকেই ঠান্ডা লড়াইয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পশ্চিমাদের ধনতান্ত্রিক ও সোভিয়েত ইউনিয়নের সমাজতান্ত্রিক দুটি বিরোধী আদর্শ তাদেরকে ঠান্ডা লড়াইয়ের কাছে টেনে আনে ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর কালের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারও ঠান্ডা লড়াইয়ের পথ সৃষ্টিতে বড় অবদান রাখে। এক জোটের নিরাপত্তা রক্ষার্থে শক্তি বৃদ্ধি অন্য জোটের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক ভীতির জন্ম দেয়। যে ভীতি শক্তিজোটগুলো ঠান্ডা লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়ে দূর করতে সচেষ্ট হয় ।

এই ‘আদর্শ বিরোধী’ যুদ্ধের উৎস অনুসন্ধান করতে গেলে যে বিষয়টা আমাদের প্রথমেই চোখে পড়ে তা হচ্ছে জার্মানির নাৎসিবাদের বড় পরাজয় এবং ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের ব্যাপক ক্ষতিসাধন।

ইউরোপে বৃহৎ শক্তিদ্বয় জার্মানির পরাজয় এবং ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের ক্ষতিসাধনের ফলে এরা দুর্বল রাষ্ট্রে পরিণত হয় যা আমেরিকা ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নকে বিশ্বে পরাশক্তি বা Super Power হিসেবে  আবির্ভাব হতে সাহায্যে করে। এই পরাশক্তিবর্গ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ে পৃথিবীতে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সামরিক দিকে আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় প্রতিযোগিতায় মাঠে নামে। যদিও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তারা একত্রে যুদ্ধ করেছিল। কিন্তু তাদের মধ্যে পরোক্ষ ভীতি ও অবিশ্বাস নিহিত ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পৃথিবীব্যাপী হিটলারের তান্ডবে যে ভীতি ও সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছিল কেবল তা প্রতিরোধ করতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন একত্র হয়েছিল।

ঠান্ডা লড়াইয়ের সময় বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থা; Image Courtesy: liberaldictionary.com

১৯৪৫ সালে হিটলারের পতনের পরপরই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্পর্কের মধ্যে ফাটল ধরে এবং তাদের মধ্যে নতুন করে যে ভীতি ও সন্দেহের পথ তৈরি হয় সে পথই তাদের ঠান্ডা লড়াই বা স্নায়ুযুদ্বের পথে নিয়ে পৌঁছে দেয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় বলশেভিক বা সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে কমিউনিস্টদের ক্ষমতায় আসার মধ্যেই ঠান্ডা লড়াইয়ের বীজ নিহিত ছিল। কারণ রাশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনে পুঁজিবাদী শক্তি ভীত হয়ে পড়ে এবং নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। এ ধারণা অনুযায়ী ঠান্ডা লড়াই ছিল মূলত ‘পুঁজিবাদী’ ও ‘সমাজতান্ত্রিক’ আদর্শের লড়াই। এরও আগে ঠান্ডা লড়াইয়ের সূত্র অনুসন্ধান করতে গেলে দেখা যায় ১৮৭০ সালে জার্মানি ও ইতালির একীকরণের ফলে যে নতুন শক্তি সৃষ্টি হয় তা পৃথিবীতে শক্তি সাম্যের (Balance of Power) পরিবর্তন ঘটায়। যা বৃহৎ শক্তিবর্গের মাঝে এক ধরনের দ্বন্দ্বের অবতারণা করে, এই দ্বন্দ্বই পরবর্তীতে ঠান্ডা লড়াইয়ের রূপ নিয়ে আবির্ভাব হয়।

লেনিনের নেতৃত্বে ১৯১৭ সালে বলশেভিক বিপ্লব হয়; Image Courtesy: Britannica.com

আবার অনেকে মনে করেন ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল যে আটলান্টিক সনদ (The Atlantic Charter) চুক্তি স্বাক্ষর করে সেখানেই স্নায়ুযুদ্ধের বীজ লুকায়িত ছিল। কারণ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট যোসেফ স্টালিন পশ্চিমাদের সন্দেহের চোখে দেখতেন। তাকে উক্ত চুক্তি থেকে বাদ দেওয়ায় তার সে সন্দেহ আরো ঘন হয়ে দানা বাধে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ে নাৎসিবাদের পতনের মধ্য দিয়ে ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র বলে বিবেচিত বার্লিন ও ভিয়েনা দখলের জন্য রাশিয়ার লাল বাহিনীর ক্ষিপ্রগতিতে ধাবিত হওয়ার মধ্যেই স্টালিনের আগ্রাসী মনোভাব ফুটে ওঠে।

রুজভেল্ট ও চার্চিল আটলান্টিক সনদ সাক্ষরের সময়; Image Courtesy: Priest, L C (Lt), Royal Navy official photographer

নাৎসিবাদের পরাজয় এবং ব্রিটেন ও ফ্রান্সের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যাপক ক্ষতিসাধনের ফলে তাদের ক্ষমতার পতন ঘটে যা বিশ্বব্যাপী শক্তি শূন্যতা (Power Vacuum) সৃষ্টি করে। সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের নিজস্ব শক্তি দিয়ে এ শূণ্যতা পূরণ করতে চায়। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী সোভিয়েতের এই আগ্রাসন রূখতে সচেষ্ট হয়। ফলে পরাশক্তিদ্বয়ের মধ্যে ঠান্ডা লড়াইয়ের সৃষ্টি হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রুশ ও চীনের বিশ্বব্যাপী সমাজতন্ত্রের প্রসার রুখতে তাদের বিরুদ্ধে যে ‘ধারক নীতি’ বা Policy of Containment  গ্রহণ করে তা ঠান্ডা লড়াইয়ের অন্যতম জন্মদাতা ।

১৯৬১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক কিউবায় সমাজতান্ত্রিক বিরোধী অভিযান, সোভিয়েতের সমর্থনে বার্লিন দেয়াল তৈরি করে জার্মানিকে পূর্ব ও পশ্চিমে বিভক্ত করা ও ১৯৬২ সালে কিউবান মিসাইল সংকটের ফলে পরাশক্তিদ্বয়ের উত্তেজনা চরম শিখরে পৌঁছে যায়। এ উত্তেজনা বিশ্বকে পরামাণু যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধ থেকে মুক্ত করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন সম্মত হয় এবং মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে টেলিফোন যোগাযোগ (Hotline) প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে বিশ্বে ঠান্ডা লড়াইয়ের উত্তেজনা প্রশমিত হয়ে আসে। ইতিহাসে পরাশক্তিদ্বয়ের এ উত্তেজনা প্রশমন অবস্থাকে দাঁতাত বা (Détente) বলে।

বার্লিন দেয়াল, Image Courtesy: The New Yorker

১৯৮৯ সালে ৩রা ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিডেন্ট বুশ ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ ইউরোপের মাল্টায় অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে এ দ্বন্দ্বের অবসানের কথা সরকারিভাবে স্বীকার করেন।

ইতিহাসে স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। কারণ স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের মধ্যে দিয়ে বিশ্বে সমাজতন্ত্রের উপর পশ্চিমা পুঁজিবাদী ধনতন্ত্র বিকশিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। অনেক ইতিহাসবিদের মতে, স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের মধ্য দিয়ে মূলত পশ্চিমা পুঁজিবাদের বিজয়ের পতাকা উত্তোলিত হয় । অধ্যাপক ফ্রানসিস ফুকিয়ামা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘The End of History & The Last Man’ (১৯৯২) এ সে কথাই বলেছেন।

বর্তমান বিশ্বে ঠান্ডা লড়াইয়ের আগের রুপটি নেই। এখন যুক্তরাষ্ট্রই বিশ্বে একক পরাশক্তি। তবে পূর্বের মত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়ন এখন আর বিশ্ব নিয়ন্ত্রণের স্বার্থের দ্বন্দ্বে মেতে ওঠে না। সর্বশেষ ১৯৯০ সালে প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে পনেরোটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হওয়ার মধ্যে দিয়ে দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে চলতে থাকা স্নায়ুযুদ্ধ ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ষোলকলা পূর্ণ হয়।

সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন; Image Courtesy: wordpress.com

সম্প্রতি সিরিয়ায় এক রাসায়নিক হামলাকে ঘিরে অনেকটাই স্নায়ুযুদ্ধের সম্মুখীন হয়েছিল রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশ। এই পরিস্থিতি দেখে জাতিসংঘের মহাসচিব এ্যান্টিনিও গুতেরেস বলেছেন, “প্রতিশোধ নিয়ে ফিরে আসছে স্নায়ুযুদ্ধ।”

সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলার মর্মান্তিক চিত্র; Image Courtesy: AFP

২০১৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের রপ্তানি বাণিজ্যের ওপর যে মাত্রাতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে এবং এর জবাবে চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর মাত্রাতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করার মধ্য দিয়ে নব্বইয়ের দশকে মৃত্যু ঘটা ঠান্ডা লড়াইয়ের পুর্নজন্ম দেয়। এখন বিশ শতকের ঠান্ডা লড়াই একুশ শতকে এসে নতুন করে জন্ম নেয় কিনা সেটাই বিশ্বের মানুষের কাছে উদ্বেগের বিষয়।

Feature Image Courtesy: historynet.com

References:

  • বিশ্ব রাজনীতির শত বছর (তারেক শামসুর রহমান, মো আব্দুল হালিম)
  • আন্তর্জাতিক সম্পর্ক: সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, ঢাকা।
  • বিবিসি বাংলা
  • প্রথম আলো
  • দৈনিক জনকন্ঠ