জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কারে ‘ন ডরাই’ ও কিছু প্রতিক্রিয়া

কিছুদিন আগেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার ঘোষিত হলো। আয়তনের বিচারে বাংলাদেশ ছোট হলেও জনসংখ্যা কিন্তু প্রচুর। কিন্তু এই বিপুল জনসংখ্যার জন্য চলচ্চিত্র দেখার মাধ্যম নিয়ে বেশ বিভ্রান্তি আছে। সিনেমা হল তো কমতে কমতে ২০০’র নিচে চলে এসেছেই। এর মধ্যে ঢাকা শহরেই রয়েছে পাঁচটির বেশি হল আর বিশাল সিনেপ্লেক্সের রকমারি কিছু শাখা৷ তাই পুরষ্কারটি আসলে কেন দেয়া হয় তা নিয়ে দর্শকরা সবসময়ই দ্বন্দ্বে ভোগে। নানামুখী সিন্ডিকেটের জন্য খুব কম চলচ্চিত্রই হলের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পৌছায়। এছাড়া দেশের চলচ্চিত্রকার ও প্রযোজকদের অদ্ভুত এক রোগ আছে যে তারা তাদের কাজগুলো অনলাইনে সহজলভ্য করেন না। যেখানে পঞ্চাশ ষাটের দশকের বলিউড বা মালায়লাম চলচ্চিত্রগুলো ইউটিউবে পাওয়া যায়, আদুর গোপালকৃষ্ণানের কাজগুলো নিয়ে আলাদা ওয়েবসাইট আছে, সেখানে বাংলাদেশের দুই এক বছর আগের কাজও বিকল্প প্রদর্শনী ছাড়া সহজলভ্য নয়। এবারের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পাওয়া সিনেমাগুলোই খুঁজুন না, নাস্তি নাস্তি।

প্রায়ই দশকশূন্য থাকে দেশের সিনেমা হল; Image Courtesy: prothomalo.net

যাহোক, এবারের সেরা সিনেমা হয়েছে ‘ন ডরাই’। এর প্রযোজক স্টার সিনেপ্লেক্স গ্রুপ বলে আজ প্রায় এক বছর ধরেই তা সিনেপ্লেক্সের বিভিন্ন শাখায় চলছে। তাই মনে হয়, লোকের কাছে পৌছল কিনা – উপরের এই অভিযোগ থেকে একে মুক্তি দেয়া যায়। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র শুধু নয়, শ্রেষ্ঠ পরিচালক, শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী, শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক ও শব্দগ্রাহক বিভাগেও এর জয়জয়কার। চিত্রনাট্য বিভাগটি নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে বলে তা এখুনি না বলে লেখার শেষে বলছি।

তো বাংলাদেশে নানাবিধ ব্যাপারে অস্বচ্ছতা ও অস্পষ্টতা থাকে হেতু এধরনের পদক, পুরষ্কার নিয়ে প্রায়শই লবিং অনিয়মের অভিযোগ উঠে৷ এবার ‘ন ডরাই’ নিয়েও উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার চলচ্চিত্র গ্রুপগুলোতে অনেকেরই মন্তব্য, প্রতিমন্তব্যে বলা হচ্ছে এটি কোন সিনেমাই না। নাটককে সিনেমা বলে চালানো হচ্ছে। তেমনই আরো অনেক অভিযোগ সিনেমাটি মুক্তির পরপরই কখনো পত্রিকা মারফত, কখনো ব্যক্তি মারফত সামনে এসেছে। তো পাঠক, চলুন সেসব নিয়ে একটু আলাপ দেয়া যাক।

স্টার সিনেপ্লেক্সে বহুদিন ধরে প্রদর্শিত হয়েছে সিনেমাটি; Image Courtesy: daily-bangladesh.com

ধরে নেয়া যাক যে স্টার সিনেপ্লেক্সের যেকোন শাখায় আপনি প্রিমিয়াম, স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের ছাড় বা buy one get one এর সুযোগে সিনেমাটি দেখে ফেলেছেন। যদি দেখেন তাহলে পড়েন। নাহলে এখনো সিনেপ্লেক্সে ৫০% ছাড় দিচ্ছে এর টিকেটে, জলদি যান, দেখে আসুন!

ওকে, আলাপ শুরু।

প্রথমত, সিনেমার নামের সার্থকতা নিয়েই একটি প্রশ্ন উঠেছে, কেন এর নাম ‘ন ডরাই’। চাটগাঁইয়া বাংলা ভাষার এই বাক্যের অর্থ ‘ভয় পাই না’। তাই আমি বলব কেন নয়? কেন এর নাম এমন হবে না। ছবির সংলাপ থেকে আমরা জানি সার্ফিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আমির দুইবার হুমকিপ্রাপ্ত, সোহেল চরিত্রটির বাবা সার্ফিং প্রতিকূল আর নারী হওয়ার কারণে আয়েশার সার্ফিং করাও তার পরিবার পছন্দ করে না। সামনে ভাল সম্পর্ক রাখলেও আমিরকে সবাই পেছনে খারাপ চোখে দেখে বিদেশীদের সাথে তার সংশ্লিষ্টতার জন্য।

সিনেমার পরিচালক তানিম রহমান অংশু; Image Courtesy: thedailystar.net

পরবর্তীতে আয়েশা এবং সোহেলকেও। এত চোখরাঙানি সামনে নিয়ে আয়েশার বিয়ের অনুষ্ঠানে আমির যখন ছলছল চোখে বলে, আমার সার্ফিং ক্লাব কেমনে চালাব সেটা ভাবছি আরকি!– তখনই এই ‘ডর’টি স্পষ্ট হয়ে উঠে। আর এই ‘ডর’কে অতিক্রম করার সংগ্রামের গল্পই ‘ন ডরাই’।

সিনেমায় এই সংগ্রাম অতিবাহিত হয়েছে কখনো নির্যাতনের হাত থেকে আয়েশাকে বাঁচানোর প্রয়াসে, কখনো ক্লান্ত শরীরে নির্মম ঢাকায় সোহেলকে খুঁজে বেড়ানোতে। মেলোড্রামা মনে তো হয়ইনি, বরং ছোট ছোট একদম খাস চাঁটগাইয়া অভিব্যক্তি, শব্দপ্রকাশে তা বাস্তব হিসেবেই ফুটে উঠেছে আর সেই বাস্তবের কেন্দ্র অবশ্যই ‘সার্ফিং’ এবং ‘সার্ফিং’। তাই এজন্য সার্ফিংয়ের দৃশ্য কম আছে বলে আপনি সিনেমাটি খারিজ করতে পারেন না। উদাহরণস্বরূপ, রাজেন তরফদারের ‘গঙ্গা’ সিনেমাটির কথা বলা যায়। নদী গঙ্গা কিন্তু সিনেমার দৃশ্যে তেমন নেই কিন্তু সংলাপে অভিব্যক্তিতে গঙ্গার শব্দই যেন আমরা শুনতে পাই। তেমনই এটি। আর জনপ্রিয় সংলাপ তো আছেই এই সিনেমার- আঁই সাগরেরে ন ডরাইন্না মাইয়াফুয়া। তর মত জানোয়াররে আই ডরায়্যুম না! 

সিনেমাতে সার্ফিং দৃশ্য কম বলে অনেকে অভিযোগ করেন; Image Courtesy: notunshomoy.com

দ্বিতীয়ত, সিনেমাটি কতটা নারীকেন্দ্রিক, অর্থাৎ ‘আয়েশা’ চরিত্রটির গুরুত্ব। এখানেও মনে হচ্ছে মানুষ সিনেমাটি একবার দেখে এবং স্ক্রীন প্রেজেন্স দিয়েই ব্যাপারটি বিচার করছে। ভুল হলে শুধরে দেবেন, একটু একটু বড় নাম নিচ্ছি হ্যাঁ? ‘বেন হুর’ বা ‘ম্যাসেঞ্জার অফ দা গড’ সিনেমা বললে আমাদের মনে কিন্তু যীশু খ্রিস্ট আর নবীজি (স.)এর কথাই মনে আসে। অথচ সিনেমার পুরো কাহিনী এঁদের নিয়ে আবর্তিত হলেও স্ক্রীনে কিন্তু তাদের একবারও দেখানো হয়নি। কিন্তু বাকিদের সব কাহিনী তাদের কারণেই ঘটেছে। এখানেই ‘ন ডরাই’ এর সংলাপে আবার মন দিতে হয়, যা আমাদের বলে- আয়েশা এই অঞ্চলের সেরা সার্ফার। কিন্তু তাকে প্রতিযোগিতায় যেতে দেয়া হয়না বলেই সোহেল সুযোগটি পায়। আয়েশাকে পাওয়ার আশা কম বলে সে বিদেশিনী এস্থারের প্রতি আকৃষ্ট হয়, আয়েশাকে পায় না বলেই সে নিজেকে নষ্ট করতে উদ্যত হয়। আয়েশার কাহিনী আর সোহেলের কাহিনী সমান্তরাল ভাবে এগিয়ে যায় যেখানে আয়েশাই আসলে নিয়ন্ত্রণ করে সোহেলকে। তাই আয়েশা চরিত্রের গুরুত্বটি কোনভাবেই কমে না।

সিনেমার একটি পোস্টার; Image Courtesy: No Dorai Facebook Page

তৃতীয়ত, কিছু কিছু জায়গায় চাঁটগাইয়া শুদ্ধের অনাকাঙ্ক্ষিত মিশ্রণ ঘটলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে একদম raw চাঁটগাইয়া ভাষার ব্যবহার মুগ্ধকর। বিশেষত চাঁটগাইয়া টানে প্রমিত বাংলা বলার ধরনটিও। আরো কয়েকটি ‘ডিটেলিং’এর দিক বলি- শুঁটকির ব্যবসায়ী যে চরিত্রটি, তার পায়ের নখ নোনাজলে ক্ষয়ে থাকা, মাদকের দালালি করা যুবকটির ফেনিসিডিলখোরদের মত থাকা ভুঁড়ি, নেশাগ্রস্ত হবার পর সোহেলের বুকের হাড় বেরুনো- ইত্যাদি। বিপরীতে বলতে পারি আয়েশা চরিত্রের পায়ের আঙুলে ঐ পেডিকিউর না কী যেন তা স্পষ্ট দেখতে পাওয়া, তার ক্লোজ শটের সাপেক্ষে বুক আর মুখের চামড়ার কিম্ভূত পার্থক্য, নাকে অতিরিক্ত মেকাপের কারণে আলোক প্রতিফলন আর তার শাশুড়ী চরিত্রটির প্লাক করা ভ্রু। এত পরিশ্রমী প্রোডাকশন থেকে এমন ত্রুটি দেখা একটু কষ্টের।

সিনেমার মুখ্য চরিত্র আয়েশা; Image Courtesy: No Dorai Facebook Page

চতুর্থত, অভিনয় দেশি সবারই ভাল। বিশেষত সোহেলের বন্ধু আদিল চরিত্রটি। এ যেন ‘কালপুরুষ’এর সেই পরমহংস। এতো নিঃস্বার্থ! বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আড্ডায় ‘সিংগিং ইন দা রেইন’ দেখানোর পর যখন অগ্রজরা একজন দর্শকের প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিল তখন সে সবাইকে বাদ দিয়ে নায়কের বন্ধু ‘কসমো ব্রাউন’ চরিত্রটি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিল। নায়কের বন্ধু উপমহাদেশীয় সিনেমায় বহু প্রচলিত একটি চরিত্র। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাকে কমিক অংশের ভার দিয়ে লঘু করে ফেলা হয়। কিন্তু বন্ধু যে আসলে কমিক আর সিরিয়াস- দুটো দিকই ফোটাতে পারে তার প্রথম সার্থক প্রকাশ দেখানো সেই ব্রাউন চরিত্রটিতে। আর বহুদিন বাদে আদিল চরিত্রে ঐ ব্যাপারটি দেখা গেল।

সিনেমার একটি কার্টুন পোস্টার; Image Courtesy: No Dorai Facebook Page

বলতে হয় আয়েশার বাবার চরিত্র করা লোকটির কথা। যে কারো বুক মমতায় আর্দ্র হবে তার প্রতি। তবে সবাইকে ছাপিয়ে গেছে আয়েশার ভাই লিয়াকত চরিত্রটির অভিনয়। সিনেপ্লেক্সের মত জায়গায় সে আপনাকে বাধ্য করবে “মার ******রে মার!” বলে গালি দিতে। অনেক দর্শকের এত রাগ উঠেছিল যে মনে হচ্ছিল স্ক্রিনে ঢুকে তারা ব্যাটাকে পিটিয়ে আসবে। আবার পরিচালকের মুন্সিয়ানাও এই যে তাকে মারার পরও হারানো যায় না। ফলে অস্বস্তিটি দগদগ করতেই থাকে মনে। দুর্দান্ত অভিনয় এটা, অসাধারণ।

আয়েশার অভিনয় কিছু জায়গায় টাল খেয়েছে। বহুদিন বাদে বাবাকে দেখে তার অভিব্যক্তি এত আরোপিত ও ক্লিশে যে পরের ভাল অভিব্যক্তিও ওটিকে ছাপিয়ে যেতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

সিনেমায় নেতিবাচক ‘লিয়াকত’ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ওয়াসিম সিতার; Image Courtesy: No Dorai Facebook Page

আয়েশার স্বামী রফিক চরিত্রটি তো একদম সবার উপরে রাখার মত। তার আর লিয়াকতের চরিত্রটি স্পষ্ট করে যে সবগুলো চরিত্রে একদম লোকাল থিয়েটারের অভিনয়শিল্পী নিলে সিনেমাটির মান কোথায় গিয়ে দাঁড়াতো। সবশেষে এটি বাণিজ্যিক সিনেমা- কী আর করা!

বিদেশীদের মধ্যে এস্থার এবং মার্ক চরিত্রের অভিনয় ভাল লেগেছে। এস্থারের ‘ক্যামেরাম্যান’ (শব্দচয়নটি খুব ভুল হয়েছে। যেখানে আপনি সংলাপে এল.এ. রাখছেন সেখানে সিনেমাটোগ্রাফার- শব্দটির ব্যবহার আপনার জানার কথা) চরিত্রটির অভিনয় কেন জানি মনে হয়েছে তার প্রকৃতির সাথে খাপ খায়। এমনকি সোহেলের বাবার মাতলামোর সময় যখন সিন্থিয়া চরিত্রটি “টাকা দাবি করা”র কথা বলছিল- অভিব্যক্তিটি খুব নজরকাড়া।

সিনেমার একটি দৃশ্যে রাজ ও জোসেফাইন; Image Courtesy: No Dorai Facebook Page

এখানে বলে ফেলি, এস্থার চরিত্রে অভিনয় করা জোসেফাইনের মুখশ্রী এত নির্মল যে কিছু শট তার উরু, কোমর দেখানোর পিছনে ব্যয় করা খুব অহেতুক!

অভিনয়ে যে পুরষ্কার দেয়া হলো তা নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধতা এখানেই। সুনেরাহ বিনতে কামাল আয়শা চরিত্রে চেষ্টা করেছেন। আয়শা হতে পারেননি। তার এই চেষ্টার পুরষ্কারটি বেশিই হয়ে গেল, যেখানে সেরা খলনায়ক হয়েছেন জাহিদ হাসান, ‘সাপলুড়ু’ নামক সিনেমায় এক অবিকশিত চরিত্রের জন্য। শব্দগ্রহনে রিপন নাথ আমাদের ইন্ড্রাস্ট্রির বিশ্বস্ত নাম হলেও এই সিনেমায় যেন সেই খ্যাতির প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। একটু খেয়াল করলেই ঝড়ের দৃশ্যের শব্দ মিশ্রণ নাটকীয় লাগবে। মাছির শব্দ যেখানে বেশি দরকার, মাছের আড়ত, শুঁটকির মজুদে- সেখানে তা নেই। বরং অন্য কটা দৃশ্যে অহেতুক একদম ভনরভন করা শব্দ ভ্রু কুঁচকে দেয়।

ছবির একটি দৃশ্যে সুনেরাহ ও রাজ; Image Courtesy: No Dorai Facebook Page

তার চেয়ে বরং বাস্তবানুগ সব লোকেশনে শুটিং এই সিনেমার অনন্য দিক। সাধুবাদ পুরো টিমকে এজন্য। চিত্রনাট্যের ব্যাপারগুলো সব মিলিয়েই আসে। ভারতের বিখ্যাত স্ক্রিপ্টরাইটার শ্যামল সেনগুপ্ত দাবি করছেন যে প্রযোজকের আমন্ত্রণে তিনি ছয় দিন কক্সবাজার থেকে প্রায় আট মাস ধরে চিত্রনাট্য লেখেন। কিন্তু প্রযোজক ও পরিচালক দাবি করছেন যে তিনি শুধু তত্ত্বাবধান করেছেন। চাটগাঁইয়া ভাষার ব্যবহারসহ আরো অনেককিছু এদেশীয় সংযোজন। কিন্তু এই চিত্রনাট্য যারই হোক, সুমন কুমার সরকারের চমৎকার দৃশ্যগ্রহনের কারণে প্রশংসার দাবিদারই।

একটি অনুষ্ঠানে ‘ন ডরাই’ সিনেমার টিম; Image Courtesy: No Dorai Facebook Page

ব্যক্তিগতভাবে সিনেমাটি অনেকেই খু্ব উপভোগ করেছে। শুধু এর দৃষ্টিনন্দন সিনেমাটোগ্রাফির জন্য না, সার্বিক সবকিছু মিলিয়েই। একঘেয়ে লং শট ব্যবহার না করেও দর্শককে গল্পের সাথে সংযুক্ত করার শৈল্পিকতা তৈরির দারুণ দক্ষতার প্রমাণ এটি। এই এত এত সমালোচনা এই সিনেমার অন্তত দায় না। বলা যায় যে, যদি লবিং থেকে দারুণ কিছু হয় তাহলে লবিংই ভাল। আশা করি এই সামগ্রিক আলোচনার মূল কারিগর এবারের শ্রেষ্ঠ পরিচালক পুরষ্কার পাওয়া তানিম রহমান অংশু চলচ্চিত্রজগতকে আরো সমৃদ্ধ করবেন।

Feature Image Courtesy: banglatribune.com